নিজস্ব প্রতিনিধি:
ৱেদোয়ান আহমেদ – (অফিসিয়াল আদেশক্ৰমে) –
নিজেকে “জাতীয় পুরুস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক” দাবিকরা এবং নিজ হবিগঞ্জ জেলা থেকে, স্থানীয় সরকার কর্তৃক পুরুস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক দাবি করা,কলকাতা এক্সপ্রেস ও হবিগঞ্জ জেলা এবং সিলেট জেলার, বিভিন্ন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের ভুলতথ্য দিয়ে, বিভ্রান্ত করে বিভিন্ন সংবাদের মধ্যে , কৌশলে নিজ নামের সাথে- “জাতীয় পুরুস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক” শব্দটি ব্যাবহার করে ,সেসব পত্রিকার সম্পাদকদের , সম্পাদকীয় নীতি, আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং সর্বপরি প্রতারনার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে . facebook, instagram, linkedln, twitter এর মত প্লাটফর্মের, নিজ প্রোফাইলে -নিজেকে বাংলাদেশের জাতীয় পুরুস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক (পাবলিক ফিগার) দাবি করে তা ফলাও করে প্রচার করার মাধ্যমে- বিশ্ববাসীর কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন করার মাধ্যমে, সিলেট বিভাগের সকল যোগ্য, শিক্ষিত, সিনিয়র এবং প্রবীন সাংবাদিকদের যোগ্যতাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিযোগ, ।
কোন দালিলিক প্রমান ছাড়াই , অনলাইন, ইলেকট্রনিক মিড়িয়া , প্রিন্ট মিড়িয়াসহ সকল গণমাধ্যমগুলোতে নিজেকে “জাতীয় পুরুস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক” উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন করে পুরো সাংবাদিক সমাজকে হেয় করার অভিযোগ ।রাষ্ট্রের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরুস্কারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, রাষ্ট্রদ্রোহীতার মতই গর্হিত কাজ করার অভিযোগ প্রমানীত হওয়ার কারনে – কলকাতা এক্সপ্রেস থেকে ,তার অফিসিয়াল রির্পোটার পদ থেকে বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এম,এ,আহমদ আজাদ এর,জাতীয় পুরুস্কার পাবার বিষয়টি,
এই প্ৰতিবেদক, সাংবাদিকতায় জাতীয় পুরুস্কার বিজয়ীদের লিষ্টে “এম,এ,আহমদ আজাদ” নামক কোন সাংবাদিক আছে কিনা, সেটা বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রনালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে জানতে চাওয়া হলে, তারা জানান, এমন নামের কোন সাংবাদিককে কোন জাতীয় পুরুস্কারতো দেওয়া দুরের কথা, তথ্যমন্ত্রনালয়ের পিআইডি শাখায় সাংবাদিকদের প্রাথমিক তালিকাতেও তার নাম উল্লেখ নেই ।
হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, আমার জেলায় এমন কোন জাতীয় পুরুস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক নেই !
এরপর হবিগঞ্জ জেলা তথ্য অফিস, বিভাগীয় তথ্য অফিসে – যোগাযোগ করলেও – এম,এ,আহমদ আজাদ এর, জাতীয় পুরুস্কার পাবার বিষয়টির কোন তথ্যই নেই ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ,সকল গণমাধ্যমের প্রকাশক/সম্পাদকদের সাথে এমন মিথ্যাচার, করে , বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে প্রতারনা করাসহ, পুরো সাংবাদিক সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করার বিষয়টি প্ৰতিয়মান হওয়ায়, – এম,এ,আহমদ আজাদকে, গত -১০ই, ফেব্রোয়ারী ২০২৩ ইং থেকে, কলকাতা এক্সপ্রেস এর- অফিসিয়াল রির্পোটার পদ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়েছে । এবং তাকে আগামী তিন দিনের মধ্যে – অফিসিয়াল আইডি কার্ডটি বাংলাদেশ ব্যুরো-রেদোয়ান আহমেদ এর নিকট জমা দিতে বলা হইল।
এছাড়াও- এম,এ,আহমদ আজাদ, এর বিরুদ্ধে, সমাজের বিভিন্ন গণমান্য ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যে সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগসহ, 01713…নাম্বার থেকে – কলকাতা এক্সপ্রেস প্রতিনিধি নামক একটি হোয়াটসআপ গ্রুপ খুলে, সকল প্রতিনিধিদের এড করে, তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখানোসহ, সাংবাদিক, রেদোয়ান আহমেদ এর নামে, মিথ্যে, বিভ্রান্তকর তথ্য শেয়ার করে, তাদের উস্কে দেবার চেষ্টা করার বিষয়টি, কলকাতা এক্সপ্রেস এর , বিভিন্ন জেলায়, কর্মরত -২৫ জন প্রতিনিধির অভিযোগের বিষয়টিও প্রমানীত।
সকল মহলকে অবগতিকরন, সতর্ককরন, জনসচেতনার লক্ষে – বহিস্কারাদেশটি, অফিসিয়াল আদেশ ( লেটার) এর পাশাপাশি , সংবাদ পরিবেশনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হইল।
এম,এ, আহমেদ আজাদ, বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার, নবীগঞ্জ উপজেলার ,দেবপাড়া ইউনিয়নের ছিট ফরিদপুর এলাকার বাসিন্ধা। যার, ভোটার কোড নং ০৬০৭ এর তালিকায় ০৯৮নং ক্রমিক এ, তার পিতার নাম আব্দুল জব্বার।
সে কলকাতা এক্সপ্রেস এর- অফিসিয়াল রির্পোটার পদে গত ০৯ই ফেব্রোয়ারী পযর্ন্ত কর্মরত ছিলেন ।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ রাসেল আলী
©২০২০-২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || পাবনা নিউজ পোস্ট.কম