
পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাব- ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেনার্ড বাংলাদেশ, জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি মোকাবেলায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় প্রকৃতির সৌন্দর্যবর্ধন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়’উন্নত ও সবুজ বাংলাদেশ’গড়তে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করেছেন

বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টায় নির্মাণাধীন রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়াড় বাঘইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় পাকশী দিয়াড় বাঘইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে মেনার্ড বাংলাদেশের প্রতিনিধিবৃন্দ বিদ্যালয় মাঠে পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসেবে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে বিদ্যালয় চত্বরের আঙিনা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৫ টি বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা বপন করেন।
তার আগে পাকশী দিয়াড় বাঘইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ‘উন্নত ও সবুজ বাংলাদেশ’ গড়তে মেনার্ড বাংলাদেশ গড়তে শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেনার্ড এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ফাহিমস শাহাদত,প্রজেক্ট ম্যানেজার এলেক্সি নিকিফরোভ সাইট ম্যানেজার মেহেদী হাসান,স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও পরিবেশ ইনচার্জ জামিল হাসান, টেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার জামিনুর রহমান নুর, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেরুন নাহার ও সহকারী শিক্ষক আমিরুল ইসলাম।
পরে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে একটি কলম, ‘উন্নত ও সবুজ বাংলাদেশ মেনার্ড বাংলাদেশ নিয়ে’ স্লোগানের লিফলেট বিতরক করা হয়। এছাড়া সকলের মাঝে, স্বাস্থ্য সম্মত খাবার বিতরণ করা হয়।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেনার্ড বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার এলেক্সি নিকিফরোভ বলেন, আমরা যেহেতু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন কাজ করছি তাই কিছুটা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর ও কার্বনের প্রভাব ফেলছি। ক্ষতিকর প্রভাব ও কার্বন নি:সরণ কমানোর লক্ষ্যে আমাদের প্রচুর পরিমানে বৃক্ষ রোপন করতে হবে। নিজেকে ও পরিবেশ কে নিরাপদ রাখতে হলে প্রচুর সবুজ বনায়ন করতে হবে। সবুজ বনায়নের কোনো বিকল্প নেই এবং আমরা আশা করবো আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ শুরুর মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম একটি নিরাপদ ও দূষণমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত করবে।
এ ব্যাপারে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেনার্ড এর বাংলাদেশের প্রতিনিধি ফাহিমা শাহাদাত জানান, কোন এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে ওঠে তখন তার চারিদিকে প্রকৃতিতে কিছু ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। সে প্রভাব কাঁটিয়ে উঠতে আমাদের পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বৃক্ষরোপনের কোনও বিকল্প নেই। প্রকৃতিকে দূষণমুক্ত রাখার জন্য প্রয়োজন বেশি করে বৃক্ষ রোপন করা। আজকের প্রজন্মের দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও দূষণ মুক্ত পৃথিবী গড়ার। মেনার্ড আশা করে, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই আমাদের এই প্রজন্ম শুরু করবে আমাদের প্রকৃতিকে নিরাপদ ও দূষণ মুক্ত রাখার চর্চ্চা।
