
আজ শুক্রবার প্রতি বছরের মত পাকশী আমতলাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে চন্দ্রপ্রভা বিদ্যপীঠ এর ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০:০০ টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২:০০ পর্যন্ত চলে। তারপর বন্ধুদের একটি টিমে কয়েকজন বন্ধু মিলে দীর্ঘ দিন যাবত দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত বন্ধু গোলাম মোস্তফা মধুকে তার বাঘইলস্থ বাড়িতে দেখতে যায়।

বন্ধু’ শব্দটা ছোট হলেও এর পরিধি এতটাই বিস্তৃত যে পরিমাপ করার সাধ্য কারো নেই। তারপরও ছোট পরিসরে বলতে গেলে বন্ধু মানেই আত্মার টান, ভালোবাসার বন্ধন, হৃদয়ের স্পর্শ, একে অন্যের ছায়া, বড় রকমের ভরসার জায়গা। ভালোবাসার এই শেকড়ের টানে একে অন্যের সাথে দেখা করতেই সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ে চন্দ্রপ্রভা বিদ্যপীঠ এর ১৯৮১থেকে১৯৮৩ ব্যাচের ঈদ পরবর্তী মিলনমেলা আনুষ্ঠিত হয়েছে।
বন্ধুদের আগমনে পাকশী আমতলা যেন পরিনিত হয় মিলন মেলায়। সকালের মিষ্টি রোদে পাকশী আমতলা প্রাঙ্গণ পায় নব উদ্যোম। যেখানে অংশ নেয় সব শ্রেণি-পেশার বন্ধুরা।
হাতে লাটিম-নাটাই নিয়ে মাঠ-ঘাট, বই খাতা কাঁধে চেপে সেই প্রাইমারি স্কুল, দুষ্টুমির সেই স্কুলের বারান্দা, স্যারদের হাতে ইচ্ছে করে মাইর খাওয়ানো আবার সেই হাতে ভাগ করে একই বক্সের টিফিন খাওয়া, বন্ধুত্বের সূচনাটা এভাবে হলেও সম্পর্কের দৃঢ়তা বেড়েছে, অন্যভাবেও।
এ বিষয়ে ১৯৮১-১৯৮৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রাইমারির গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক, স্নাতকোত্তর শেষ করতেও অনেক নাম না জানা মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বের আর্বিভাব হয় আমাদের। কেউবা জীবনের তাগিদে, কেউবা উচ্চতর ডিগ্রির জন্য দেশ ছেড়ে ভিনদেশে। এভাবে সবাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও মনের সেই টানটা রয়েই গেছে। সবার ব্যস্ততার মধ্যেও আমরা একত্রিত হয়ে একটি সুন্দর দিন অতিবাহিত করেছি।
পাকশী আমতলায়বন্ধুদের মিলনমেলাযর মেলার আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন সন্টু , হাবিব, একরাম, ওয়াজেদ, জাহাঙ্গীর রুবেল, আফজাল, গোলাম কিবরিয়া, শহিদুল, নিঠু, খায়রুল, আমিনুল, অরুণ মোস্তাফিজ, সরওয়ারুজ্জামান, কাজল, ফরিদ, আলম, সেলিম, রাজা, রিয়াজুল, মুকুল, ইমদাদুল, রেজাউল বাবু, ইউনুস ও নতুন। সভাপতিত্ব করেন হাফিজুর রহমান ।
