
আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক ডাক টেলিযোগাযোগ, গনপূর্ত, স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্হ্যমন্ত্রী, বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান, বিরোধী দলীয় হুইপ, চীফ হুইপ, জাতীয় চারনেতা পরিবারের সুযোগ্য সন্তান, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়কারী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এম মনসুর আলীর সুযোগ্য সন্তান বর্ষীয়ান নেতা জনাব মোহাম্মদ নাসিম এর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী।
মোহাম্মদ নাসিম এমপি’র তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পাবনা-৪ আসনের মানুষের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পাবনা -৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য,অত্র অঞ্চলের মুজিব প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বিশ্বাস এমপি। তিনি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।মোহাম্মদ নাসিমের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত বছরের এই দিনে রাজধানীর শ্যামলী বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর দ্বিতীয় সন্তান মোহাম্মদ নাসিম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কুড়িপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে যুব বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে যাত্রা শুরু হয় তার। ১৯৮৭ সালের সম্মেলনে দলের প্রচার সম্পাদক মনোনীত হন।
১৯৯২ ও ১৯৯৭ সালের সম্মেলনে তিনি দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পান। এসব পদে থেকে তিনি দলকে সুসংগঠিত করতে সারাদেশ চষে বেড়ান।২০০২ ও ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত দলের সম্মেলনে তাকে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির এক নম্বর সদস্য পদে রাখা হয়।
২০১২ সালের সম্মেলনে তিনি দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন এবং টানা তিন মেয়াদে এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যের পাশাপাশি ১৪ দলের মুখপাত্রের দায়িত্বে ছিলেন। মোহাম্মদ নাসিম ১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর) আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এরপর থেকে এই আসনে ছয়বার বিজয়ী হন তিনি। ১৯৯১ সালে তিনি জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ান ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পালন করেছেন।
