
ঈশ্বরদী পৌর এলাকার দুর্বল জলাবদ্ধতা নিষ্কাশন ব্যবস্থা
পরিদর্শন ও ড্রেনের উপর যন্ত্র-তন্ত্র ভাবে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা সরানোর কঠোর নিদের্শনা প্রদান করেন নব-নিযুক্ত পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবীর কুমার দাশ ।
পৌর প্রশাসকের দ্বায়িত্ব পাওয়ার তৃতীয় দিনে আগামী ৩মাসের এক কর্ম পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ) সকাল সাড়ে ৭টায় ঈশ্বরদী পৌর শহরের ৭নাম্বার ওয়ার্ড এলাকার দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পরিদর্শন করা হয় ।
এ সময় ঈশ্বরদী পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম,পৌর সেনেটারী ইন্সপেক্টর আবুল কায়সার সুজা, পৌর কন্জারভেন্সী ইন্সেপেক্টর রুয়েল ,পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার আনোয়ার হোসেন জনি, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহমেদ, ব্যবসায়ী মাহমুদুর রহমান জুয়েল সহ অন্যান্য সাংবাদিক সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈশ্বরদী পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ড আমবাগান এলাকায় পৌর প্রশাসক আগমন ও এলাকাবাসীর সামনে দুই একদিনের মধ্যেই জলাবদ্ধতা দূর করা হবে। এই প্রতিশ্রুতীর আস্বাসে এলাকাবাসী আনন্দিত এবং খুশি হয়েছেন। এলাকাবাসীরা জানান এই প্রথম দেখলাম একজন পৌর প্রশাসক এসে আমাদের এলাকার জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করেছেন ।
এদিকে পরিদর্শন শেষে পৌর প্রশাসক সুবির কুমার দাশ বলেন,ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ময়লা নিয়ে অন্যদের মতো আমারও অভিযোগ ছিল, এ কারণে সকাল ৬ টায় আমি বের হয়েছি ময়লা কিভাবে তারা সংগ্রহ করে দেখার জন্য। আরও স্বচ্ছভাবে পরিচ্ছন্ন করার আহ্বান জানান,
ড্রেনের ওপর যন্ত্র-তন্ত্রভাবে অবৈধভাবে দোকানপাট ঘরবাড়ী গড়ে তোলা হয়েছে তা সরানো না হলে পৌরসভার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবং পৌরবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী কাউন্সিলরদের সাথে কথা বলে হোল্ডিং নেমপ্লেট পর্যায়ক্রমে সবাইকে দেওয়া হবে। পৌরবাসীকে কোনো ধরনের ড্রেনে সৌরেজ লাইন পলিথিন ব্যাগ না ফেলানোর অনুরোধ জানান।
রাস্তা ড্রেন নতুন করে আরও সংস্কারের মাধ্যমে আগামী তিন মাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পাবে পৌরবাসী ।
