
ঈশ্বরদী-সিরাজগন্জ রেললাইন জামতৈল ষ্টেশনে মুক্তিযোদ্ধা কন্যার দোকান উচ্ছেদ করতে আসে নিজেরাই জুতা ও স্যান্ডেলের ছুড়া ঢিলে উচ্ছেদ হয়ে আসছে অতঃপর দোকান লুট পাটের ঘটনা ঘটেছে
রেলওয়ে পাকশি সদর দপ্তরের ডিসিও নাছির উদ্দিন রেলওয়ে জায়গায় দখল উচ্ছেদ করতে যেয়ে নিজেরাই স্যান্ডেল জুতার ঢিলে উচেছদ হয়ে আসছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানাগেছে, (গত ৩ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার পাকশি রেলওয়ে সদর দপ্তরের ডিসিও নাসির উদ্দিন সহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও তার সঙ্গীয় কয়জন ষ্টাফদের নিয়ে সিরাজগঞ্জের জামতৈল ষ্টেশনে যায়। সেখানে রেলওয়ে জায়গার উপর অবৈধভাবে গড়ে উঠা ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করার সময় হতদরিদ্র দোকানীদের সাথে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায দোকানীদের পক্ষে এলাকার গনরোষের কবলে পড়ে ডিসিও নাসিরউদ্দিন।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রায় এক ঘন্টা ষ্টেশন ঘরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন সহ তার সাথে থাকা অন্যন্যরা বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ সাগর আলী ।এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে ডিসিও নাসির উদ্দিন কে উদ্দেশ্য করে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে থানা পুলিশ কে খবর দেয়া হয়। এসময় কামারখন্দ থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এক ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকার পর ঢাকা থেকে খুলনা গামী আন্তঃনগর সুন্দর বন ট্রেন জামতৈল ষ্টেশনে দাঁড়ালে ডিসিও নাসির উদ্দিন ও তার সঙ্গীয় কর্মচারীরা পুলিশ ও ষ্টেশন মাষ্টার ও পোর্টার দের সহযোগিতায় , নিরাপত্তা দের সাথে করে ট্রেনে উঠে পড়ে।
এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ডিসিও নাসির উদ্দিন কে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়িভাবে জুতা স্যান্ডেল ছুঁড়ে মারতে থাকে। ট্রেনের দরজা বন্দ করলে ট্রেনটি ছেড়ে আসে।
এ ব্যাপারে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাসির উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি লাঞ্চিত হইনি শুধু হাতাহাতি হয়েছে । অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে মুক্তিযোদ্ধা কন্যা বিলকিস বেগম ও তার স্বামী মোঃ বকুল হোসেনের সাথে কথা বললে তাঁরা বলেন আমাদের অগ্রিম কোন চিঠি পত্র না দিয়ে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের নির্দেশে আমাদের দোকান ভাঙচুর করে এবং দোকান লুট পাট করেছে। আমরা এর খতিপুরন চাই।
